বিশেষ প্রতিনিধি, Farhana Ahmed।।
২৬৮ রান প্রয়োজন পাকিস্তানের মিরপুর টেস্ট জিততে হাতে রয়েছে গোটা দুই সেশন। গতকাল চতুর্থ দিন শেষে চলমান টেস্ট ড্রয়ের দিকে যাচ্ছে মনে হলেও আজ পঞ্চম দিনের মাঝামাঝি বাড়াবাড়ি হবে না যদি ফলাফলের আশা করা হয়। ২৬৮ রানের টার্গেট খেলতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৬৮ রান যোগ হতেই ৩ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। জয়ের জন্য যেমন পাকিস্তানের প্রয়োজন রান তেমনি নাজমুল হোসেন শান্তদের দরকার আর ৭ উইকেট।
পঞ্চম দিন নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক শান্তর বিদায়ের পরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। নিজেদের ৯ উইকেটের পতনের পর ইনিংস ঘোষণা করে লাঞ্চের আগমুহূর্তে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক তার ফলটাও হাতেনাতে পেয়েছেন। পেসার তাসকিন আহমেদ প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন পাকিস্তানের শিবিরে । পাকিস্তানের ওপেনার ইমাম উল হক প্রথম ওভারের শেষ বলে উইকেটরক্ষক লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে ২ রানে সাজঘরে ফিরলে ৪ ওভারে ১ উইকেটে ৬ রান নিয়ে পঞ্চম ও শেষ দিনের মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যায় পাকিস্তান।
আরও পড়ুন-
৫ হাজার রানের মাইলফল ছুঁয়েছে মুমিনুল
বিরতি শেষে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হয়ে গেছেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইস। চলমান টেস্টে কিছুটা আড়ালে থাকা নাহিদ দ্বিতীয় সেশনে বোলিংয়ে ফিরে নিজের প্রথম দুই ওভারে উইকেট না পাওয়া টাইগার উল্টো হ্যাটট্রিক চার হজম করেন। নিজের তৃতীয় ওভারে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদকে শিকার বানালেন তিনি।
প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৫২ রান করেছিল বাংলাদেশ। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ১৭৯ রানে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৮ ও মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। পঞ্চম দিন শান্ত ৮৭, মুশফিক ২২, লিটন দাস ১১, মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪, তাইজুল ইসলাম ৩, তাসকিন আহমেদ ১১ রানে আউট হন। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন এবাদত হোসেন। এ ছাড়া আগের দিন মাহমুদুল হাসান জয় ৫, সাদমান ইসলাম ১০ ও মুমিনুল হক ৫৬ রানে আউট হন।
পাকিস্তানের হাসান আলি ও নোমান আলি ২টি করে উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৪১৩ ও পাকিস্তান ৩৮৬ রান করেছিল।
এফ এ/আয়না