| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা শেষে বনানীতে চির নিদ্রায় শায়িত আতাউর রহমান

  • আপডেট টাইম: 12-05-2026 ইং
  • 2099 বার পঠিত
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা শেষে বনানীতে চির নিদ্রায় শায়িত আতাউর রহমান

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বেলা ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমানের মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা শেষে তার মরদেহ রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। মগবাজারের নিজ বাসভবনের সামনে একটি খোলা মাঠে জোহরের নামাজের পর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  

গত শুক্রবার বাসায় পড়ে যাওয়ার পর আতাউর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ সুবিধা ওই মুহূর্তে না পাওয়ায় পরে তাকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্ট খুলে দিলে অবস্থার অবনতি হলে রোববার আবারও তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। 


বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী আতাউর রহমান ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্মগ্রহন করেন। আতাউর রহমান ছিলেন নাট্যকার, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক ও সংগঠক। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক ও লেখক আতাউর রহমান দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক। ১৯৬৮ সালে তিনি গড়ে তোলেন নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়। ১৯৭২ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নির্দেশনার মাধ্যমে মঞ্চনির্দেশক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর নির্দেশিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে গডোর প্রতীক্ষায়, গ্যালিলিও, রক্তকরবী, এখন দুঃসময় ও অপেক্ষমাণ। এ ছাড়া নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের বাইরেও তিনি ম্যাকবেথ, বাংলার মাটি বাংলার জল ও নারীগণসহ বহু নাটক নির্দেশনা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন- 

অভিনেতা ও নাট্যকার আতাউর রহমান না ফেরার দেশে

মঞ্চের পাশাপাশি শিক্ষকতা ও লেখালেখিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রজাপতি নিবন্ধ’, ‘মঞ্চসারথির কাব্যকথা’, ‘নাটক করতে হলে’ ও ‘নাট্যপ্রবন্ধ বিচিত্রা’। দীর্ঘ সাংস্কৃতিক জীবনে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এবং ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন আতাউর রহমান। সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০১ সালে একুশে পদক এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ‘মুনীর চৌধুরী সম্মাননা’সহ একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী এবং  এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

 এফ এ/আয়না 


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪